যুবশক্তি ভরসা কার্ড :আবেদন, যোগ্যতা, সহায়তা ও অন্য বিস্তারিত তথ্য জেনেনিন
যুবশক্তি ভরসা কার্ড থাকলে মাসিক ৩০০০ পাবেন বেকার যুবক যুবতীরা। কীভাবে আবেদন করবেন বা কী কী যোগ্যতা লাগবে? রইল বিস্তারিত

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতে সবথেকে বড় চাঞ্চল্যকর এবং আলোচ্য বিষয় হলো যুবশক্তি ভরসা কার্ড নিয়ে। রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন যুব সাথী প্রকল্প। এবার সেই প্রকল্পকে টেক্কা দিয়ে নতুন বিজেপি সরকার গঠন হলেই, যুবশক্তি প্রকল্প নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়।
কেনই বা না, কারণ এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাসে ১৫০০ টাকা নয় এবার থেকে ৩,০০০ টাকা সরাসরি একাউন্টে ঢুকতে চলেছে। আজকের এই প্রতিবেদনে যুবশক্তি প্রকল্প সম্পর্কে সবিস্তারে আলোচনা করতে যাচ্ছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান সরকার গঠনের পর, মে মাসে আপাতত কোন লেনদেন হবে না। তবে যেহেতু বেশ কিছু বছর ধরে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়মিত মাসিক ভাতা পেতেন এমন বহু উপভোক্তার কাছে এমন সিদ্ধান্ত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
তবে পরবর্তীতে বর্তমান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে আগামী জুন মাস থেকে যোগ্য সমস্ত উপভোক্ততারা আগের যে সমস্ত প্রকল্প ছিল সেই প্রকল্পের টাকার সঙ্গে বর্ধিত ভাতা যুক্ত করে সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে দেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে এও জানা যায় যে, আগে যেখানে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে পনেরশো টাকা প্রতি মাসে পাওয়া যেত, সেখানে আগামী জুন মাস থেকে ৩০০০ টাকা প্রতি মাসে পেতে চলেছেন রাজ্যের মহিলারা।
শুধু তাই নয় এর পাশাপাশি যুব সাথী প্রকল্পে যেখানে মাসে ১৫০০ টাকা দেওয়া শুরু হয়েছিল, শেখানোও বর্ধিত আরো ১৫০০ টাকা মিলিয়ে মোট তিন হাজার টাকা প্রতি মাসে জুন মাস থেকে পেতে চলেছেন। এখানেই থেমে নেই রাজ্য সরকার আরো জানিয়েছেন যারা বার্ধক্য ভাতা কিংবা বিধবা ভাতা অথবা প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়ে থাকেন তাদের জন্য আরো ১০০০ টাকা বর্ধিত করে মোট ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে।
বিজেপি সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বেকার যুবক-যুবতীদের যুবশক্তি ভরসা কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকবেন। এবার তার এই বাস্তবায়ন করতে চলেছে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়।
২১ থেকে ৪০ বছর বয়সের সকল বেকার যুবক-যুবতী যাদের উপযুক্ত যোগ্যতা রয়েছে তারা এই আর্থিক সাহায্য পেতে চলেছেন বলে জানা যায়।
তবে এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয় যে, আগে যারা আবেদন করেছিল তাদের আবেদন করতে হবে কিনা অথবা সকলকে নতুন করে আবেদন করতে হবে কিনা। তবে বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, যারা আগে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে যারা বৈধ তাদের নতুন করে আবেদন নাও করতে হতে পারে।
ইতিমধ্যে যারা আবেদন করেননি বা কোন কারণবশত আবেদন বাতিল হয়েছে তারা আবার নতুন করে যুবশক্তি ভরসা কাটে আবেদন করতে পারেন। তবে অফিসিয়াল আপডেট এখনো আসেনি যদি আসে তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
যুবশক্তি ভরসা কার্ড এমন একটি প্রকল্প যেখানে বেকারদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। তবে বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থানের দিকে নজর দিবে সরকার। সব মিলিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে গল্প গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন বর্তমান সরকার। সরকার কর্তৃক এও জানানো হয় ডিভিডি এর মাধ্যমে সমস্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।
যারা এখনো পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারেননি বা সফল হয়নি সেই সমস্ত প্রার্থীদের জন্য পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক নতুন কোন বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। এই বিষয়টির জুন মাস নাগাদ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে। এখন দেখার বিষয় কিভাবে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নিচ্ছেন বা নতুন আবেদন কিভাবে নিচ্ছেন সেই বিষয়ের উপর। আমাদের সঙ্গে জুড়ে থাকতে পারেন এই সম্পর্কে পরবর্তী আপডেট পাওয়ার জন্য।
আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সোর্স থেকে আপনাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খবর কালেক্ট করে থাকি। এই ধরনের খবর লিখতে গিয়ে কোনরকম ভুল ভ্রান্তি অথবা তথ্য সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করবো আপনাদের কাছে স্বচ্ছ ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পৌঁছে দিতে।
Disclaimer : বঙ্গধারা নতুন রুপে আপনাদের স্বাগত জানায়। বঙ্গধারা বহুদিন ধরে সাধারণ মানুষের বিশেষ করে বাংলার বিভিন্ন ধরনের খবরের দিয়ে আসছি। গত বছরে মাঝখানে সামান্য বিরতি থাকলেও ফের আগের মতো এসে গেছি। আপনি যদি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে থাকেন এবং নিয়মিত নিজেকে রাজ্য তথা দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ আপডেট থেকে বঞ্চিত করতে না চান তাহলে আমাদের পেজ রেগুলার ভিজিট করতে পারেন। আমরা আপনাদের জন্য সারাক্ষণ কাজ করে চলেছি। এতএত আপনারাও সাহায্য করে যাবেন।



